কভিডকালে শিশুকে অনলাইনে সুরক্ষিত রাখতে করণীয়
পরিবার বাড়িতে আটকে থাকলে শিশুরা অনলাইনে অনেক বেশি সময় ব্যয় করছে। স্কুল, বন্ধুবান্ধব এবং দাদা-দাদি ও নানা-নানির সঙ্গে আলাপচারিতা, এমনকি সংগীতের পাঠÑঅনেক কিছুই অনলাইনে স্থানান্তরিত হয়েছে।
আবাসস্থলে অনলাইন সংযোগ থাকলে তা শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের ওপর এ নতুন (অস্থায়ী) পরিস্থিতির প্রভাব কমাতে সহায়তা করে এবং তাদের জীবন চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেয়। তবে এটি প্রতিটি মা-বাবার জন্য নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জও তৈরি করে। ইন্টারনেটের সম্ভাব্য ক্ষতিকর দিকটি এড়িয়ে কীভাবে অভিভাবক সব ভালো দিকগুলোর সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন? কভিড-১৯-এর মতো স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলার সময় এই ভারসাম্য বজায় রাখা খুব সহজ নয়।
‘বাংলাদেশে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা’ শীর্ষক সমীক্ষার অংশ হিসেবে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১০-১৭ বছর বয়সী ১ হাজার ২৮১ জন শিশুর ওপর একটি জরিপ চালানো হয়। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, প্রায় ২৫ শতাংশ শিশু ১১ বছর হওয়ার আগেই ডিজিটাল বিশ্বে প্রবেশ করতে শুরু করে। যদিও বেশি বয়সী শিশুরা কম বয়সী শিশুর চেয়ে অধিক মাত্রায় সাইবার নিপীড়নের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে, তবে সার্বিকভাবে সব শিশুই ক্ষতিকর কনটেন্ট, যৌন হয়রানি এবং সাইবার নিপীড়নের আশঙ্কা রয়েছে।
ক্রমবর্ধমান নেট-সংযুক্ত বিশ্বে এদেশের শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা অনলাইনে যেসব ঝুঁকি ও বিপদের মুখোমুখি হয়, তা কমিয়ে আনতে ইউনিসেফের সহায়তায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগ ‘শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট’ শীর্ষক একটি কোর্স চালু করেছে। এটি সারা বাংলাদেশের শিশুদের অনলাইনে নিরাপদে থাকার জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে সহায়তা করবে এবং সাফল্যজনকভাবে কোর্স সমাপ্তির পর সনদ দেবে।
আইসিটি বিভাগ ও ইউনিসেফ পারিচালিত কোর্সটি করতে .unicefbangladesh.org ভিজিট করতে হবে।